
আশিকুর রহমান সবুজ, শ্রীপুর (গাজীপুর)
প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের প্রশাসনিক ও সেবা কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর অধীনস্থ এই কার্যালয়টিতে বর্তমানে সাধারণ গ্রাহকরা কোনো প্রকার মধ্যস্থতাকারী বা হয়রানি ছাড়াই সরাসরি সেবা পাচ্ছেন। দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নিয়েছেন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-অপারেশন) প্রকৌশলী শান্তনু রায়।সরেজমিনে দেখা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দপ্তরে যোগদানের পর থেকেই প্রকৌশলী শান্তনু রায় তাঁর দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা নিয়ে আসা সাধারণ গ্রাহকরা সরাসরি তাঁর রুমে প্রবেশ করতে পারছেন এবং তৎক্ষণাৎ সমাধান পাচ্ছেন। অফিসের এই জনবান্ধব পরিবেশে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।সেবা নিতে আসা একাধিক গ্রাহক জানান, আগে অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করা বা সমস্যার কথা বলা ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ ও জটিল। অনেক ক্ষেত্রে দালালের স্মরণাপন্ন হতে হতো। কিন্তু বর্তমানে অফিসের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন। কোনো বাধা ছাড়াই সরাসরি ডিজিএম-এর সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সমাধান পাওয়া যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।এ বিষয়ে প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, “পল্লী বিদ্যুৎ মূলত জনগণের প্রতিষ্ঠান। আমার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকসেবাকে একদম সহজ করে তোলা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনা। আমার দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা। সেবা নিতে এসে কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটি আমি কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে চাই।”পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটজনিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধানে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করে তিনি যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন সহজলভ্যতা ও আন্তরিকতা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। তাঁদের প্রত্যাশা, শান্তনু রায়ের এই জনবান্ধব কর্মপদ্ধতি অন্যান্য দপ্তরের জন্যও একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
2026 © Amar Dorpon. All Rights Reserved