

আলমগীর হোসেন সাগর স্টাফ রিপোর্টার:
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের ফলে কিশোরীটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। গ্রে
প্তারকৃত আসামী কালীগঞ্জ পৌরসভার বালীগাঁও এলাকার মৃত ওহাব আলীর ছেলে আব্দুর রহিম (৬০)। তিনি পেশায় পূর্বে রিকশাচালক ছিলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন, বিগত ১৫ দিন পূর্বে তার অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য সে চাকরিচূত্য হয়েছিলেন,সে এখন বেকার,ও স্থানীয়রা জানায়, নীলফামারীর মো. মোর্শেদুল ইসলামের স্ত্রী তিনজন কণ্যা সন্তান নিয়ে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পেছনে বালীগাঁও এলাকায় আমিনুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থেকে থেকে হা-মীম গ্রুপে চাকরি করেন। গত বছরের ৪ নভেম্বর রাতে ভুক্তভোগীর মা কারখানায় রাতের ডিউটিতে গেলে অভিযুক্ত রহিম তাদের বাসায় প্রবেশ করেন। রহিম কিশোরীকে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনা প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দিয়ে এরপর থেকে বারবার একইভাবে ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি। একপর্যায়ে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন স্থানীয়দের নজরে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে সে আব্দুর রহিমের নাম প্রকাশ করে। পরে সোমবার সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দেন। গণপিটুনির মুখে অভিযুক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। পরে স্থাণীয়রা তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় {মামলা নম্বর ২৮(৫)২৬} ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, অভিযুক্ত রহিম গণপিটুনিতে আহত হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
2026 © Amar Dorpon. All Rights Reserved