

অনলাইন ডেস্ক
ইন্দোনেশিয়ার বালিতে প্রথম বৈশ্বিক ফ্ল্যাগশিপ কনসেপ্ট স্টোর চালু করেছে গ্লোবাল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। গত ৩১ অক্টোবর উদ্বোধন করা স্টোরটিতে স্মার্টফোন ও অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য দেখার পাশাপাশি কফি পান, গেমিং এবং বিভিন্ন সৃজনশীল আয়োজনে অংশ নেয়া যাবে।
ইনফিনিক্সের মূল প্রতিষ্ঠান ট্রানশান হোল্ডিংসের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে এ ধরনের স্টোর এটিই প্রথম। প্রতিষ্ঠানটির ‘জয় টেক’ ভাবনার অংশ হিসেবে প্রযুক্তির সঙ্গে দৈনন্দিন জীবন ও বিনোদনের অভিজ্ঞতা যুক্ত করতে স্টোরটি চালু করা হয়েছে।
স্টোরের সাজসজ্জায় রয়েছে ধাতব পৃষ্ঠ, ডিজিটাল ভিজ্যুয়াল এবং রোবটিক হাতের একটি স্থাপনা। এখানে নোট ৬০ ও হট ৭০ সিরিজের স্মার্টফোনের পাশাপাশি জিটি ৫০ প্রো দেখা যাবে। আরও রয়েছে জেডক্লিপ ২ প্রো ইয়ারবাডস, স্পেস ম্যাক্স ওয়্যারলেস হেডফোন এবং এক্সএনার্জি পোর্টেবল পাওয়ার স্টেশন। দর্শনার্থীরা সরাসরি এসব পণ্য ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।
স্টোরটি সাজানো হয়েছে ইনফিনিক্সের ‘১+২+এক্স’ ধারণা অনুসারে। এতে প্রযুক্তিপণ্যের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দুটি বিশেষ উপাদান—রোবটিক হাতের স্থাপনা এবং স্থানীয়ভাবে গড়ে তোলা নিজস্ব কফি ব্র্যান্ড ‘এন_এক্স’। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া কিংবা পণ্য দেখার ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা হিসেবেও কফি অংশটি ব্যবহার করা যাবে।
এই ধারণার ‘এক্স’ অংশে থাকছে সময়ের সঙ্গে নতুন আয়োজন যুক্ত করার পরিকল্পনা। এর মধ্যে রয়েছে গেমিং, সংগীত, খেলাধুলা এবং স্থানীয় সৃজনশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম। শিল্পী ও সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে নতুন কনটেন্ট ও অভিজ্ঞতা তৈরির পাশাপাশি দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ ও মতামত দেওয়ার সুযোগও রাখতে চায় ইনফিনিক্স।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নিয়মিত নতুন প্রদর্শনী ও আয়োজনের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের আবারও স্টোরে আসার আগ্রহ তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য।
চলতি বছর ইন্দোনেশিয়ায় আরও পাঁচটি ফ্ল্যাগশিপ স্টোর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে ইনফিনিক্সের। অন্যান্য দেশেও একই ধরনের স্টোরের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বালির স্টোরটি হুবহু অনুসরণ না করে স্থানীয় সংস্কৃতি, মানুষের পছন্দ ও জীবনযাপনের সঙ্গে মিলিয়ে ভবিষ্যতের স্টোরগুলো সাজানো হবে।
2026 © Amar Dorpon. All Rights Reserved