
লিয়াকত হোসেন
রাজশাহীর তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আগামি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন নেতৃত্ব মোস্তাফিজুর রহমান দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে সমর্থন ও দোয়া প্রত্যাশা করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতার ইচ্ছে প্রকাশ করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছে, মোস্তাফিজুর রহমান একজন সৎ, আদর্শিক ও পরিক্ষিত নেতৃত্ব।যিনি কখানো কোনো লোভ-লালসার স্রোতে গাঁ ভাসিয়ে দেননি। যিনি সব সময় শত প্রতিকুলতার মাঝে বিএনপির মুল ধারার সঙ্গে রয়েছেন। ব্যক্তি স্বার্থের কারণে কখানো ওমুক ভাই, তমুক ভাই, এই ডাল বা ওই ডাল ধরে রাজনীতি করেন না।তিনি সব সময় মুল ধারার সঙ্গে থেকে রাজনীতি করে আসছেন।অফিস পাড়ায় দালালী, পুকুর দখল, জমি দখল, ডিপ বাণিজ্যে,বিরোধপূর্ণ সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়া বা সালিশ বাণিজ্য ইত্যাদি এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে এধরণের কোনো বিতর্ক নাই।
এদিকে সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে থাকা কলমা ইউপি বিএনপিকে শত প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি সংগঠিত করে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রতিটি ওয়ার্ড ও প্রতিটি গ্রামের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিএনপির ৩১ দফাকে পৌছে দিচ্ছেন সেই অকুতোভয় সৈনিক মোস্তাফিজুর রহমান।স্থানীয় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল মোস্তফিজুরকে সবুজ সঙ্কেত দিয়ে মাঠে নামার নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও শোনা যাচ্ছে।এদিকে আগামি নির্বাচনে তিনি বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হলে শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে নির্বাচন করতে প্রস্তুত।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মোস্তাফিজুর রহমান ছাত্র জীবনেই শহিদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে৷ বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং ছাত্রদল-যুবদল হয়ে এখন তিনি ইউপি বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।জানা গেছে, এলাকার উন্নয়ন, সমাজ সেবা, ক্রীড়া ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছেন। ফলে ইউপি জুড়ে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার একটা পরিচ্ছন্ন ও নিজ্বস্ব ব্যক্তি ইমেজ তৈরী হয়েছে।
এদিকে ভোটারদের সিংহভাগ তরুণ। আগামিতে তরুণ প্রজন্ম তাদের প্রতিনিধি হিসেবে জন ও কর্মীবান্ধব তরুণ নেতৃত্ব মোস্তাফিজুর রহমানকে বেছে নিবেন বলে তৃণমূলে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে।আগামিতে তারা যেকোনো মুল্য মোস্তাফিজুর রহমানকে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনে বদ্ধপরিকর।এছাড়াও ইউপি বিএনপি থেকে তিনিই একমাত্র প্রার্থী হতে চলেছেন অন্যান্য সবকিছু তার অনুকুলে রয়েছে। আগামি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তার বিজয়ের সম্ভবনা অত্যন্ত উজ্জল বলে মনে করছেন তার অনুসারীরা।ইতমধ্যে তিনি জনসাধারণের কাছে অঙ্গীকার প্রকাশ করে বলেন, আগামি ইউপি নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হলে সকলের সহযোগিতায় তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে ইউপির অবহেলিত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। এই জন্য সকলের কাছে তিনি দোয়া, সমর্থন ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করেছেন।মোস্তাফিজুর রহমানের পরিচিতি:বি.এসসি(গণিত) ।কর্মজীবন পেশা :শিক্ষক,রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ১৯৯৬ সালে কলমা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। ২০০২ – ২০০৮ সালে কলমা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। ২০০৮ মাইনাস ২০২০ সাল থেকে কলমা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি। ২০২০ সালের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১ নং কলমা ইউনিয়নের সম্মানিত সভাপতি।এদিকে তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থক বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের আকুন্ঠ সমর্থন তাকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা ও বিজয়ের ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী করে তুলেছে।এবিষয়ে ইউপি বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করবেন। তিনি বলেন,ভোটারদের মানসিকতা ও নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী দেয়া হলে তার মনোনয়ন শতভাগ নিশ্চিত। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি ইউপিবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা বিস্তার, মাদক প্রতিরোধ, শতভাগ স্যানিটেন, বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণের মাধ্যমে কলমা স্মার্ট ইউপি হিসেবে গড়ে তুলবেন।পরিশেষে তিনি বলেন ১নং কলমা ইউপিতে আমাকে মনোনয়ন না দিলে বিএনপির ভরাডুবি হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

Leave a Reply