শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্তমান সময়ে যখন নৈতিকতা ও আদর্শের সংকট চারদিকে দৃশ্যমান, ঠিক তখন সততা, সাহসিকতা ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য আলোকবর্তিকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন খান সেলিম রহমান। তিনি একাধারে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং জাতীয় দৈনিক ‘মাতৃজগত’ পত্রিকার সম্পাদক। কেবল সাংবাদিকতা নয়, বরং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও নৈতিক নেতৃত্বের সংমিশ্রণে তিনি আজ সমাজের এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।
ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে খান সেলিম রহমানের নৈতিক অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ়। সাংবাদিকতার মতো চ্যালেঞ্জিং পেশায় থেকেও তিনি কখনও আপস করেননি অন্যায়ের সাথে। তার দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, বস্তুনিষ্ঠতা এবং সত্যের পথই একজন প্রকৃত সংবাদকর্মীর মূল শক্তি। তার সহকর্মীদের মতে, যেকোনো সংবাদ পরিবেশনা বা সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি গভীর বিশ্লেষণ ও সুপরিকল্পিত চিন্তাকে প্রাধান্য দেন। কোনো কাজে অবহেলার বিন্দুমাত্র সুযোগ রাখেন না তিনি, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
নিজের কাজ ও জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে খান সেলিম রহমান অত্যন্ত স্পষ্টভাষী। এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন:
সাংবাদিকতা আমার কাছে কেবল জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নয়, এটি একটি পবিত্র সামাজিক দায়িত্ব। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থাকা এবং নির্যাতিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার সাংবাদিকতা ও জীবনের মূল লক্ষ্য।”
তার এই দর্শন কেবল মুখেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তার দৈনন্দিন কর্মতৎপরতায় প্রতিফলিত হয়। তিনি মনে করেন, কলম যখন শোষিতের পক্ষে কথা বলে, তখনই সাংবাদিকতা সার্থক হয়।
একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হওয়ার পাশাপাশি খান সেলিম রহমানের মানবিক গুণাবলি তাকে সাধারণ মানুষের অতি নিকটজনে পরিণত করেছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের বিপদে-আপদে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। মানুষের সমস্যাগুলোকে নিজের সমস্যা মনে করে তা সমাধানের চেষ্টা চালানোই তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। এই আন্তরিকতা ও সহমর্মিতার কারণে তিনি আজ জনমানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি বেশ আধুনিক। তিনি বিশ্বাস করেন:
“সমাজের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করব। মানবিকতা ও সততা ছাড়া কোনো উন্নয়নই দীর্ঘস্থায়ী বা টেকসই হতে পারে না।”
বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে তিনি সংবাদকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এবং তাদের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন। তার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নেতৃত্বদানের অসাধারণ দক্ষতা সংগঠনটিকে একটি শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করেছে। তরুণ সাংবাদিকদের কাছে তিনি একজন মেন্টর বা পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত।
তার সহকর্মীরা তার সম্পর্কে আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন:
খান সেলিম রহমান একজন নীতিবান ও সাহসী মানুষ। বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি যেভাবে সত্যের পথে অবিচল থাকেন, তা আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে। তিনি নিজে যেমন সৎ পথে চলেন, আমাদেরও সেই পথে চলার সাহস ও দীক্ষা দেন।”
খান সেলিম রহমানের এই পথচলা কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, বরং এটি মূল্যবোধের জয়গান। সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার এক বিরল সমন্বয় তিনি। সচেতন মহলের মতে, আজকের ঘুণে ধরা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে খান সেলিম রহমানের মতো মানুষের নেতৃত্ব অত্যন্ত জরুরি। তার এই কর্মনিষ্ঠা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। গুণী এই সম্পাদক তার কর্মের মাধ্যমেই মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।

Leave a Reply