
মোঃ নাসির উদ্দিন
আসন্ন ১ নম্বর মশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছে পাগলা থানা বিএনপির সাবেক সদস্য, সমাজসেবক ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ফেরদৌস আলম মৃধার নাম।ফেরদৌস আলম মৃধা ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার মশাখালী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মৃধা পরিবারের সন্তান। ২০০৩ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ময়মনসিংহ-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে এলাকায় পরিচিত ফেরদৌস আলম মৃধা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলীয় ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তিনি নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে অংশগ্রহণ, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণেও স্থানীয়দের কাছে তাঁর আলাদা পরিচিতি রয়েছে।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের কারণে ফেরদৌস আলম মৃধা এলাকায় একটি পরিচিত মুখ হিসেবে অবস্থান তৈরি করেছেন। ফলে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তালিকায় তাঁকে নিয়েও চলছে আলোচনা।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে ফেরদৌস আলম মৃধার অবস্থান দৃশ্যমান। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে তাঁর প্রকৃত জনসমর্থনের প্রতিফলন ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।ফেরদৌস আলম মৃধা বলেন, “জনগণের ভালোবাসা, দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আমি ১ নম্বর মশাখালী ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। জনগণ আমাকে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ দিলে সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।”এদিকে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও রাজনৈতিক তৎপরতাও তত বাড়ছে।

Leave a Reply