
স্টাফ রিপোর্টার
মদ নারী তাস এই তিনই সর্বনাশ। গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে আবাসিক হোটেল গুলোতে গড়ে উঠেছে নারী ব্যবসা ও মাদক সেবনের আখড়া। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোনাবাড়ীতে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের উভয় পাশে হোটেল নিউ মুন, হোটেল নিরিবিলি,হোটেল রেইনবো, এসব আবাসিক হোটেলে গড়ে উঠেছে মাদকের আখড়া। কোনাবাড়ীর এসব আবাসিক হোটেল গুলো নিয়ন্ত্রণ করছেন যারা রেইনবো এর ম্যানেজার আশরাফুল ইসলাম কাজল হোটেল নিরিবিলি ও নিউমুনের মালিক স্বপন মিয়া ওরফে মুরগি স্বপন।
এসব হোটেলেই চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ এবং মাদক সেবন যা কোনাবাড়ী এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করছে। তথ্যসূত্রে জানা যায়,উল্লেখ্য হোটেল গুলোতে আবাসিক হোটেলে যৌনকর্মীদের দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে খদ্দের এনে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ করে দেওয়া হয়। এছাড়াও বাইরে থেকে যদি কেউ মেয়ে নিয়ে হোটেলে যায়, তাহলে তাদের জন্য রুম ভাড়ার ব্যবস্থা করে দেয় হোটেলের স্টাফ, ম্যানেজার ও মালিকরা । যার ফলে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকার যুব সমাজ থেকে বয়স্ক ও গার্মেন্টস কর্মী, উঠতি বয়সের স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র সমাজ ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে বলে এলাকার সুশীল সমাজ ও অভিবাবকরা প্রতিবেদকে জানান। উক্ত হোটেল গুলোতে মাদক সেবন ও অসামাজিক কার্যকলাপে কোন প্রকার বাধা দেওয়ার মত কেউ না থাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রকার অপকর্ম। কোনাবাড়ীর মহাসড়কের পাশেই আবাসিক হোটেল কয়টি অবস্থিত হলেও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে হোটেল মালিকেরা এমন ভাবে চলে যেন লাইসেন্স করা প্রতিষ্ঠান।
আবাসিক হোটেলের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বলেন, আগে দেখবেন তারপর সার্ভিস নিবেন, এ যেন অনুমোদন প্রাপ্ত পতিতালয়। প্রশাসনিক ঝামেলা সম্পর্কে জানতে চাইলে আবাসিক হোটেলগুলোর কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রশাসন কে প্রতিমাসে মাশোহারা দিয়ে আমরা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছি এবং হোটেল কর্তৃপক্ষ আরো বলে যে, কোনাবাড়ী থানার সামনেই আমাদের প্রতিষ্ঠান, থানায় টাকা না দিলে তো আর হোটেল ব্যবসা করতে পারতাম না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোনাবাড়ী মহাসড়কের ফুটপাত ব্যবসায়ীরা ও স্থানীয়রা বলেন এসব আবাসিক হোটেলের স্টাফরা রাস্তায় চলাচলকারী মানুষদের প্রকাশ্যে জিজ্ঞেস করেন যে যাবেন নাকি, সবরকম ব্যবস্থা আছে, আপনি যেভাবে বলবেন সেভাবেই পাবেন, কি লজ্জার বিষয় আপনাদের কি করে বলবো? স্থানাীরা বলেন প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এলাকার যুবকরা বিপদগ্রস্ত হবে। হোটেল রেইনবোর ম্যানেজার আশরাফুল আলম কাজল জানান আমরা সরকারের নিয়ম নীতি মেনেই হোটেল ব্যবসা করছি। হোটেল নিউ মুন ও নিরিবিলি এর মালিক স্বপনকে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ না করা তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
কোনাবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ জানান আমরা প্রতিমাসে অভিযান পরিচালনা করি ।

Leave a Reply