কয়রা (খুলনা)প্রতিনিধি
উপকূলে দূর্যোগ মৌসুম শুরু হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় কয়রা উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩মে) সকাল ১০ টায় কয়রা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনেন আয়োজনে জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা শাপলা নীড়ের অর্থয়ানে ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগ্রত যুব সংঘ(জেজেএস)’র সহযোগীতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তরা বলেন, মে মাস আসলে কয়রার মানুষের মনে ভয় আর আতঙ্ক কাজ করে। উপকূলে যতবার প্রকৃতিক দূর্যোগ আঘাত হানছে সব মে- জুন মাসে। তাই দূর্যোগ ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সমন্বিত উদ্যোগে আগাম প্রস্তুুতি নিয়ে কাজ করতে হবে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস আর নদীভাঙনের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটে এই অঞ্চলের হাজারো পরিবারের। প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করেই যেন তাদের জীবনযুদ্ধ।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবিরের সঞ্চালনায় এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার সমীর কুমার সরকার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকার, সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক মোঃ রিয়াছাদ আলী, ইমতিয়াজ উদ্দিন, কয়রা বাজার কমিটির সভাপতি সরদার জুলফিকার আলম, উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোঃ আহাদ আলী, প্রভাষক মিজানুর রহমান, জেজেএসের প্রস্তুুতি প্রকল্পের ম্যানেজার শ্রী অশোক কুমার রায়, ফিল্ড অফিসার মহিমা আক্তার, সিপিপি সদস্য মনিরা রউফ, নারী নেত্রী মুর্শিদা খাতুন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার (ভূমী) জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রথমেই আগাম সতর্কবার্তা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাইক্লোন শেল্টার ও আশ্রয়কেন্দ্র গুলো সবসময় ব্যবহার উপযোগী রাখতে হবে। উপকূলীয় জনগণের যানমাল রক্ষায় আগাম প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। দুর্যোগের সময় সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সিপিপি সদস্য ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে জানা তিনি ।
সভায় দুর্যোগের প্রস্তুুতি, পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহনের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

Leave a Reply