
কয়রা(খুলনা) প্রতিনিধি
খুলনার কয়রায় চাঁদার টাকা দ না পেয়ে মৎস্য ঘেরের বাসা পুড়িয়ে ছিয়েছে প্রতিপক্ষরা। অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ যানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার লুৎফর রমানের ছেলে ঘের মালিক আব্দুল লতিফ।
১৮ জুন বেলা ১২ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে লিখিত সংবাদ সম্মলনে তিনি জানান, উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নে নয়ানী গ্রামে জমির মালিকদের নিকট হতে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারী হতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ডিড নিয়ে বাসা- বাড়ি তৈরী করে মাছ চাষ করে আসছি। হঠাৎ গত ১৭ জুন আনুমানিক বেলা ২ টার দিকে প্রতিপক্ষ এবাদুল গাজীর ছেলে ফিরােজ গাজী,হালিম শেখের ছেলে সেলিম শেখ,মিন্টু শেখের ছেলে লাভলু শেখ,ডালিম শেখের ছেলে শিমুল ও এবাদুল গাজীসহ অনেকে প্রকাশ্য দিবালকে আমার মৎস্য ঘেরর বাসা পুড়িয়ে দেয়। এতে আমার ঘেরর মালামাল সহ ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধিত হয়েছে। যার প্রমান আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।
তিনি জানান,ওই খানে ঘের করতে হলে চাঁদা দিতে হবে বলে দির্ঘদিন তারা চাঁদা দাবি করে আসছিলাে। আমি ঘের করার সার্থে ইতিমধ্যে ৫১ হাজার টাকা বাধ্য হয়েছি। যার সাক্ষী প্রমান রয়েছে। তার পরেও তারা চাঁদার দাবিতে প্রতিনিয়ত হুমকী ধামকি অব্যহত রাখে। আমি চাঁদা না দেয়ায় তারা আমার মৎস্য ঘেরের বাসা পুড়িয়ে দিয়েছে। ওই ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে একটি মহল নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। যার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি একটি পত্রিকায় ওই ঘটনাকে বিএনপিনেতা নাজমুল হুদার নেতৃত্বে ঘটানাে হয়েছে বলে যে অভিযােগ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। প্রকৃত ঘটনাটি আড়াল করতে একটি মহল তার উপর দায় চাপানাের চেষ্টা করছে। বিএনপি বা সহযােগি সংগঠনের কােন লােক আমার ঘেরে আগুন দিয়ে বাসা পুড়ড়ে দেয়নি এবং এ ধরনের কােন ঘটনা ঘটেনি। বিএনপির লােকদেরকে হয়রানী করতে একটি কল্প কাহিনী তৈরী করা হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কােন লােক এর সাথে জড়িত নেই। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দােষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের সার্বিক সহযােগিতা কামনা করেছেন।

Leave a Reply