আলীপুর মৎস্যবন্দরে খাল দখলের মহোৎসব! মনা ব্যাপারীর বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ, প্রশাসন নীরব

আলীপুর মৎস্যবন্দরে খাল দখলের মহোৎসব! মনা ব্যাপারীর বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ, প্রশাসন নীরব

মোহাম্মদ রুমি শরীফ কুয়াকাটা প্রতিনিধি


পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্যবন্দর আলীপুরে খাল দখল যেন থামছেই না। দিনের পর দিন খাল দখল, মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে আলীপুরের গুরুত্বপূর্ণ খাল ও জলপথের জায়গা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এ অভিযোগের তালিকায় মনা ব্যাপারীর নামও উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে খালের জায়গা দখল ও ব্যবহার করার অভিযোগ করছেন স্থানীয় কয়েকজন।

অভিযোগকারীদের দাবি, খাল দখল ও ভরাটের কারণে একদিকে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আলীপুরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথের অস্তিত্বই সংকটে পড়তে পারে।স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি খাল যদি দখলই হয়ে যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ পানি নিষ্কাশন ও নৌ চলাচলের জায়গা পাবে কোথায়? অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রভাবের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছেন না। ফলে দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।তবে মনা ব্যাপারীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই এবং খালের সরকারি রেকর্ড, সীমানা ও সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র বের করা জরুরি। অভিযোগের বিষয়ে মনা ব্যাপারীর বক্তব্যও জানতে চেষ্টা করা হচ্ছে; বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

সচেতন মহলের দাবি, আলীপুরের সব খাল ও সরকারি জলাশয়ের সীমানা জরুরি ভিত্তিতে নির্ধারণ করে অবৈধ দখল চিহ্নিত করতে হবে। দখল প্রমাণিত হলে দল-মত ও প্রভাব বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।এখন দেখার বিষয়—আলীপুর মৎস্যবন্দরের খাল দখলের এই মহোৎসব বন্ধে প্রশাসন কবে কঠোর পদক্ষেপ নেয়। নাকি প্রভাবশালীদের দখলের কবলেই একে একে হারিয়ে যাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলো?

Leave a Reply

Your email address will not be published.