গাজীপুর ইউনিয়নে ৮ নং ওয়ার্ডের জনগণকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তরুণ সমাজসেবক মাজহারুল হাসান মুন্না

গাজীপুর ইউনিয়নে ৮ নং ওয়ার্ডের জনগণকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তরুণ সমাজসেবক মাজহারুল হাসান মুন্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। জীর্ণ পুরাতনকে পেছনে ফেলে নতুন বছরে নতুন উদ্দীপনায় জেগে ওঠার দিন। এই উৎসবের আবহে গাজীপুর ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিশেষ করে ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এই ওয়ার্ড থেকে সদস্য (মেম্বার) পদে তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল প্রার্থী হিসেবে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন মোঃ মাজহারুল হাসান (মুন্না)।

মাজহারুল হাসান মুন্না কেবল একজন তরুণ সমাজসেবকই নন, তার রয়েছে এক গর্বিত পারিবারিক পরিচয়। তিনি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইদ্রিস আলীর সুযোগ্য পুত্র। দেশমাতৃকার টানে অস্ত্র ধরা এক বীরের আদর্শ নিয়েই তিনি বড় হয়েছেন। এছাড়া তিনি গাজীপুর জেলা জজ কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী এডভোকেট মাহবুব উল আলম লাভলুর ছোট ভাই। পারিবারিকভাবেই আইন, নীতি এবং দেশপ্রেমের আবহে বেড়ে ওঠা মুন্না এবার সরাসরি জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার মানুষের সেবা করতে চান।

নির্বাচনী মাঠের আলোচনায় মুন্নার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উঠে এসেছে যুবসমাজের উন্নয়ন। বর্তমান সময়ে মাদক এক ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে মাজহারুল হাসান মুন্না বলেন:
“আমাদের তরুণরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, মাদক আজ অনেক প্রতিভাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমি নির্বাচিত হই বা না হই, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার প্রধান কাজ হবে যুব সমাজকে মাদকাসক্ত থেকে বিরত রাখা। আমি চাই ৮ নং ওয়ার্ড হবে মাদকমুক্ত একটি আদর্শ এলাকা।”
তিনি মনে করেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের মাধ্যমে তরুণদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করা সম্ভব। নির্বাচিত হলে তিনি ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মসূচি হাতে নেওয়ার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছেন।

৮ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গিয়ে দেখা যায়, মুন্না ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিনি শিক্ষিত, মার্জিত এবং বিপদে-আপদে সবার পাশে দাঁড়ান। ভোটারদের মতে, একজন শিক্ষিত এবং সচেতন মেম্বার প্রার্থী হিসেবে মুন্না এলাকার উন্নয়নে সঠিক ভূমিকা রাখতে পারবেন।

মুন্না জানান, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার এবং সরকারি অনুদান যেন প্রকৃত হকদারদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করাই হবে তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, “আমি মেম্বার হতে চাই ক্ষমতার জন্য নয়, বরং শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর হতে চাই।”

পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ৮ নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এই তরুণ প্রার্থী। এক বার্তায় তিনি বলেন, “নতুন বছর আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। আমরা যেন হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সুন্দর সমাজ গড়তে পারি। সবাইকে শুভ নববর্ষ।”

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ৮ নং ওয়ার্ডের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এখন মাজহারুল হাসান মুন্নাকে নিয়ে আলোচনা। তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে তিনি নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে পারবেন বলে আশাবাদী তার সমর্থকরা। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে এবং শিক্ষিত পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

নতুন বছরের এই উৎসবের আমেজেই মুন্না তার গণসংযোগ আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.